খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২

পঞ্চম যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ভারত-পাকিস্তান!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫, ৩:৫৮ অপরাহ্ণ
পঞ্চম যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ভারত-পাকিস্তান!

কাশ্মীর ইস্যুতে যেকোনো সময় সংঘটিত হতে পারে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ। ইউক্রেন-রাশিয়া কিংবা ইসরাইল-ফিলিস্তিন ছাপিয়ে সবার চোখ এখন এই দুই দেশের দিকে। তবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দেশ এর আগে আরো কয়েকবার যুদ্ধে জড়ায়।

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মুখোমুখি অবস্থান নিয়ে উত্তপ্ত গোটা বিশ্ব। আলোচনার টেবিলেও চলছে তুমুল বিতর্ক। সংঘাত আর উত্তেজনার গতি-প্রকৃতি নিয়েও চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

দুই দেশের উচ্চ পর্যায়ের একের পর এক বৈঠকে উত্তেজনা চরমে। বাড়ছে সংকট, কাটছে না ধোঁয়াশা। যেকোনো মুহূর্তে লেগে যেতে পারে যুদ্ধ। বিশাল ভৌগোলিক ব্যবধান সত্ত্বেও শক্তিমত্তার বিচারেও প্রায় সমানে সমান দুদেশ। কিন্তু প্রশ্ন হলো, দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ মোট কতবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল? আর ফলাফলই বা কী ছিল?

৭৮ বছরের ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, ভারত-পাকিস্তান মোট চারবার যুদ্ধে জড়ালেও কাশ্মীর ইস্যুতেই হয়েছে তিনবার। দুই দেশের মধ্যে প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৪৭ সালে। একই দিনে স্বাধীনতা লাভের কয়েক সপ্তাহ পরেই পাকিস্তানের আশঙ্কা ছিল কাশ্মীর ও জম্মুর মহারাজা ভারতের সাথে যোগ দেবে। কারণ দেশভাগের পর প্রতিটি রাজ্যকে সেই সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা দেয়া হয়। হিন্দু মহারাজা হরিসিং দ্বারা শাসিত হওয়ায় ভারতের সাথে সংযুক্ত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা ছিল রাজ্যটির।

অন্যদিকে জম্মু ও কাশ্মীরের ৭৫ ভাগ জনসংখ্যাই ছিল মুসলিম। তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনী কাশ্মীরের কিছু অংশ দখলে নিয়ে নেয়। এরপরেই ভারতের সাথে যুদ্ধ বাধে দেশটির। ভারত রাজ্যের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ লাভ করে, যার মধ্যে ছিল জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। অন্যদিকে রাজ্যের এক-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ পায় পাকিস্তান। দখলে নেয় আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট বালতিস্তান। তখন জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল।

১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তানের দ্বিতীয় যুদ্ধও হয় কাশ্মীর ইস্যুতে। ১৯৬২ সালে চীনের সাথে যুদ্ধে ভারতের পরাজয়ের পর পাকিস্তানের ধারণা ছিল প্রতিবেশি দেশটির সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়েছে। সেই সুযোগে কাশ্মীর দখলে নিতে পাঁয়তারা করে পাকিস্তান। তারই ধারাবাহিকতায় পাক সৈন্যরা কাশ্মীরে অনুপ্রবেশ করে। এরপর ভারতীয়রাও যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

তবে এই যুদ্ধের ফলাফল ছিল অমীমাংসিত। সেবারও জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় হয় যুদ্ধবিরতি। এই যুদ্ধে ভারতের প্রায় ১২শ’ সেনা নিহতের বিপরীতে পাকিস্তানের নিহত সেনা সদস্যের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৭ হাজার। দুই দেশের প্রায় ১৫০টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়।

ভারতের লাদাখে অবস্থিত একটি জেলা কার্গিল। ১৯৯৯ সালের এই যুদ্ধের বীজ বোনা ছিল ১৯৪৭ সালেই, এটি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে শেষ যুদ্ধ। পাকিস্তানি স্বাধীনতাকামীরা উভয় রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়লে এই যুদ্ধ অনিবার্য আকার ধারণ করে। তবে এই যুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয় ঘটে। এমনকি নিজ দেশের সেনাদের মরদেহ নিতেও অস্বীকৃতি জানায় পাকিস্তান। দায় চাপিয়ে দেয় কাশ্মীরি স্বাধীনতাকামীদের ওপর। তাই তাদের ভারতেই দাফন করতে বাধ্য হয় দেশটির সরকার।

বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ১৯৯১ সালে আর্ত মানবতার সেবা ও কল্যানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত বৃহত্তর ফরিদপুরের স্বেচ্ছায় রক্তদান প্রতিষ্ঠান সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ঐতিহাসিক অম্বিকা হলে আলোচনা সভা, সর্বোচ্চ রক্তদাতা ও সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান, বির্তক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন, স্মরনিকার মোড়ক উন্মোচন, র্যা ফেল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ও ৩৪ পাউন্ডের কেক কেটে বর্ষপূর্তির উৎসব পালন করা হয়।

সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের সভাপতি ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা: মাহমুদুল হাসান, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও দৈনিক ফতেহাবাদ সম্পাদক প্রফেসর এবিএম সাত্তার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম এ সামাদ, অধ্যাপক রেজভী জামান, অধ্যাপক খালেদুজ্জামান মিঠু, ডাক্তার আলী আকবর বিশ্বাস, ডাক্তার মিজানুর রহমান মিজান, ডাক্তার আব্দুল হিস সায়াদ, ডা:এসি পাল, মো: এজাজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান শাকিল সহফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ রক্তদাতা জগ জীবন সাহা ও বিভাষ দত্ত কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা সন্ধানী ডোনার ক্লাবের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী সূচনা লগ্ন থেকেই আত্ম মানবতার সেবায় কাজ করে আসছে। তারা এই সংগঠনের বিগত ৩৪ বছরের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী ডোনার ক্লাব অসংখ্য রোগীর জীবন বাঁচিয়েছে। তারা সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে। তাদের কর্মকান্ড সর্ব মহলের প্রশংসিত রয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে সন্ধানী আরো ভালো করবে ।

অনুষ্টানে নতুন প্রজন্ম কে সন্ধানীর সাথে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এর আগে সকালে সন্ধানী ডোনার ক্লাব চত্বরে বেলুন ও ফেষ্টুন উড়িয়ে ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীর উদ্বোধন করা হয় ।পরে এক বর্ণাঢ্য অনন্দ র্যা লী শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে।

বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

এস এম দৌলত,বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল (রেজিঃ নং রাজ—১২৪৫) এর ১৮ নং ওয়ার্ড কমিটির উদ্যোগে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেলে শহরের শিববাটী এলাকায় এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন প্রাং—এর সভাপতিত্বে এবং রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিএম বকুল এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ।

প্রধান বক্তা জেলা বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সৈয়দ জহুরুল আলম, বিশেষ বক্তা বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ—সভাপতি মোঃ সোহরাব হোসেন লাইজু। বিশেষ অতিথি বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক  এস আলম. বগুড়া জেলা লেদ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা লিটন শেখ বাঘা, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ডালু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ—সভাপতি মোঃ রাজু পাইকর, সহ—সভাপতি জহুরুল ইসলাম ফুয়াদ, সহ—সভাপতি বাদল সরকার, সহ—সাধারণ সম্পাদক কাজী খোরশেদ, সহ—সাংঠগঠনিক আতোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির বাবু, বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানী বগুড়া শহর শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান সাব্বির সোহাগ, মাফরুজ্জামান ওমেক্স, শহিদুল ইসলাম শহীদ, মহিলা দলের নেত্রী সুবর্ণা আক্তার মুক্তি, কামরুল নাহার, ১৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রোকন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সরকার, ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক, মনির, ফাহিম মোনতাসির। রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— আব্দুর রাজ্জাক. হযরত আলী, রুস্তম আলী, জনাব আলী, আল আমিন, জাইদুল ইসলাম, রাশেদ, সুরুজ, আমিনুল ইসলাম, নুর ইসলাম, হৃদয়, বকুল, সোবহান, মানিক, কফিল, বিজয়, শিমুল, আমিনুল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, “নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়।”

তিনি ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করা, সহিংসতা ছড়ানো এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিরুদ্ধে আলেম ওলামাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “মসজিদ আল্লাহর ঘর। সেখানে আমরা নামাজ হবে, দীনের কথা হবে, কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক মিটিং কেন?”

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় দেবীগঞ্জ বিজয় চত্বরে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল দেবীগঞ্জ উপজেলার শাখার উদ্যোগে আলেম-ওলামাদের নিয়ে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আলেম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং কুসংস্কার ও উগ্রবাদ রোধে আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মাওলানা আজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা শাহাদাত হোসেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মোঃ তবারক হ্যাপিসহ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক আলেম-ওলামা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার প্রসার, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সামাজিক অপরাধ দমনে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।