খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২

বজ্রপাতে পাঁচ জেলায় ১১ জনের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
বজ্রপাতে পাঁচ জেলায় ১১ জনের মৃত্যু

বজ্রপাতে একদিনে দেশের ৫ জেলায় ১১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২ জন। নিহতদের মধ্যে ৪ জন কুমিল্লার, ৩ জন কিশোরগঞ্জের, ২ জন নেত্রকোণার এবং ১ জন করে মারা গেছেন চাঁদপুর ও সুনামগঞ্জে।

এছাড়া, কালবৈশাখি ঝড়ে লালমনিরহাটের বেশ কিছু এলাকায় সঞ্চালন লাইনের খুঁটি উপড়ে শনিবার রাত থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। এতে চর এলাকায় ভুট্টা ও ধান ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কুমিল্লায় বজ্রপাতের পৃথক দুটি ঘটনায় দুই কৃষক ও দুই কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল ও দুপুরের দিকে এসব ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে নিহতদের মধ্যে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক এবং দুইজন স্কুলছাত্র রয়েছে।

সকালে সাড়ে ১০টার দিকে মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার কোরবানপুর পূর্বপাড়া কবরস্থানের পাশের মাঠে বজ্রপাতে মারা যান দুই ব্যক্তি। তারা হলেন- দেওড়া গ্রামের জসিম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে জুয়েল ভূঁইয়া (৩৫) ও কোরবানপুর গ্রামের পশ্চিমপাড়া (কালীবাড়ি) এলাকার মৃত বীরচরন দেবনাথের ছেলে নিখিল দেবনাথ (৬০)।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, ওই সময় তারা মাঠে কাজ করছিলেন। হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম (মেম্বার) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়েছি। তাদের পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

এছাড়া একই দিনে দুপুরের দিকে বরুড়া উপজেলার খোশবাস ইউনিয়নের পয়ালগাছা গ্রামে বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছে দুই স্কুলছাত্র। নিহতরা হলেন- ঐ এলাকার মৃত খোকন মিয়ার ছেলে ফাহাদ হোসেন (১৩) এবং একই এলাকার আব্দুল বারেক মিয়ার নাতি সায়মন হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুজনেই বড় হরিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। হালকা মেঘলা আবহাওয়ায় তারা মাঠে ঘুড়ি উড়াচ্ছিল। আকস্মিক বজ্রপাতে মারাত্মক আহত হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে, কিশোরগঞ্জের হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে এক কৃষানি ও দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সকাল ৮টার দিকে মিঠামইন উপজেলার শান্তিগঞ্জ হাওরে ও সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অষ্টগ্রাম উপজেলার হালালপুর এবং কলমা হাওরে এসব ঘটনা ঘটে।

মিঠামইনে নিহত কৃষানি ফুলেছা বেগম (৬৫) উপজেলার রাণীগঞ্জ কেওয়ারজোড় এলাকার মৃত আশ্রাব আলীর স্ত্রী। অষ্টগ্রামে নিহত ইন্দ্রজীত দাস (৩৬) উপজেলার হালালপুর গ্রামের মৃত যতীন্দ্র দাসের ছেলে এবং স্বাধীন মিয়া (১৪) খয়েরপুর গ্রামের ইদ্রিস মিয়ার ছেলে।

অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘সকালে ইন্দ্রজীত দাস বাড়ির পাশে হালালপুর হাওরে পাকা ধান কাটছিলেন। এ সময় বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ইন্দ্রজীত দাসের। একই সময় খয়েরপুর হাওরে স্বাধীন মিয়া ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ দুই ঘটনাস্থলেই যায়।’

অপরদিকে, সুনামগঞ্জের শাল্লায় বজ্রপাতে এক কলেজছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা গবাদিপশুটিও মারা যায়। আজ (সোমবার, ২৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার আটগাঁও গ্রামের বুড়িগাঙ্গাল হাওরে এই ঘটনা ঘটে। নিহত রিমন তালুকদার শাল্লা কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মত সোমবার সকালে শাল্লার বুড়িগাঙ্গাল হাওরে গরুকে ঘাস খাওয়াতে নিয়ে গেলে হঠাৎ বৃষ্টিপাত শুরু হলে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার আগে বজ্রপাতে রিমন তালুকদার ও তার সাথে নিয়ে যাওয়া গরুর মৃত্যু হয়।

শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বজ্রপাতে এক কলেজশিক্ষার্থী ও তার গরুর মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিক্ষার্থীর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’

নেত্রকোণায় রোববার রাত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টির পর সোমবার ভোর থেকে শুরু হয় বজ্রসহ ঝড়-বৃষ্টি। টানা প্রায় ৩ ঘণ্টা চলে বৃষ্টিপাত। রাতে কলমাকান্দায় বজ্রপাতে মারা যান মাদ্রাসা শিক্ষক দিদারুল ইসলাম। মদনে মাদ্রাসা যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আরাফাত (১০) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। আজ (সোমবার, ২৮ এপ্রিল) সকালে উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের তিয়শ্রী গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আরাফাত উপজেলার তিয়শ্রী গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে।

আরাফাতের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে তিয়শ্রী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোতাহার হোসেন জানান, আরাফাত বাড়ির পাশের হাফেজিয়া মাদ্রাসায় পড়ে। প্রতিদিনের মতো সোমবার সকালে ফজরের নামাজ শেষে মাদ্রাসায় যাচ্ছিল আরাফাত। মাদ্রাসার পাশে পৌঁছলে হঠাৎ বিকট শব্দে বজ্রপাতে হলে, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় আরাফাতের।

মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অলিদুজ্জামান বলেন, ‘আরাফাত নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বজ্রপাতে মৃত্যুর খবর পেয়েছি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী তার পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে।’

এদিকে, লালমনিরহাটে রবি ও সোমবার দফায় দফায় কালবৈশাখি ঝড় হয়েছে। এর জেরে ভোটমারীসহ বেশ কিছু এলাকায় সঞ্চালন লাইনের খুঁটি উপড়ে ব্যাহত হয় বিদ্যুৎ সংযোগ। এছাড়া, ৩ উপজেলায় ছোটবড় বেশ কিছু গাছ উপড়ে পড়েছে। ভুট্টা ও ধানের ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে চরাঞ্চলে।

বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ১৯৯১ সালে আর্ত মানবতার সেবা ও কল্যানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত বৃহত্তর ফরিদপুরের স্বেচ্ছায় রক্তদান প্রতিষ্ঠান সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ঐতিহাসিক অম্বিকা হলে আলোচনা সভা, সর্বোচ্চ রক্তদাতা ও সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান, বির্তক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন, স্মরনিকার মোড়ক উন্মোচন, র্যা ফেল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ও ৩৪ পাউন্ডের কেক কেটে বর্ষপূর্তির উৎসব পালন করা হয়।

সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের সভাপতি ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা: মাহমুদুল হাসান, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও দৈনিক ফতেহাবাদ সম্পাদক প্রফেসর এবিএম সাত্তার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম এ সামাদ, অধ্যাপক রেজভী জামান, অধ্যাপক খালেদুজ্জামান মিঠু, ডাক্তার আলী আকবর বিশ্বাস, ডাক্তার মিজানুর রহমান মিজান, ডাক্তার আব্দুল হিস সায়াদ, ডা:এসি পাল, মো: এজাজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান শাকিল সহফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ রক্তদাতা জগ জীবন সাহা ও বিভাষ দত্ত কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা সন্ধানী ডোনার ক্লাবের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী সূচনা লগ্ন থেকেই আত্ম মানবতার সেবায় কাজ করে আসছে। তারা এই সংগঠনের বিগত ৩৪ বছরের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী ডোনার ক্লাব অসংখ্য রোগীর জীবন বাঁচিয়েছে। তারা সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে। তাদের কর্মকান্ড সর্ব মহলের প্রশংসিত রয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে সন্ধানী আরো ভালো করবে ।

অনুষ্টানে নতুন প্রজন্ম কে সন্ধানীর সাথে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এর আগে সকালে সন্ধানী ডোনার ক্লাব চত্বরে বেলুন ও ফেষ্টুন উড়িয়ে ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীর উদ্বোধন করা হয় ।পরে এক বর্ণাঢ্য অনন্দ র্যা লী শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে।

বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

এস এম দৌলত,বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল (রেজিঃ নং রাজ—১২৪৫) এর ১৮ নং ওয়ার্ড কমিটির উদ্যোগে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেলে শহরের শিববাটী এলাকায় এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন প্রাং—এর সভাপতিত্বে এবং রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিএম বকুল এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ।

প্রধান বক্তা জেলা বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সৈয়দ জহুরুল আলম, বিশেষ বক্তা বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ—সভাপতি মোঃ সোহরাব হোসেন লাইজু। বিশেষ অতিথি বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক  এস আলম. বগুড়া জেলা লেদ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা লিটন শেখ বাঘা, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ডালু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ—সভাপতি মোঃ রাজু পাইকর, সহ—সভাপতি জহুরুল ইসলাম ফুয়াদ, সহ—সভাপতি বাদল সরকার, সহ—সাধারণ সম্পাদক কাজী খোরশেদ, সহ—সাংঠগঠনিক আতোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির বাবু, বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানী বগুড়া শহর শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান সাব্বির সোহাগ, মাফরুজ্জামান ওমেক্স, শহিদুল ইসলাম শহীদ, মহিলা দলের নেত্রী সুবর্ণা আক্তার মুক্তি, কামরুল নাহার, ১৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রোকন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সরকার, ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক, মনির, ফাহিম মোনতাসির। রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— আব্দুর রাজ্জাক. হযরত আলী, রুস্তম আলী, জনাব আলী, আল আমিন, জাইদুল ইসলাম, রাশেদ, সুরুজ, আমিনুল ইসলাম, নুর ইসলাম, হৃদয়, বকুল, সোবহান, মানিক, কফিল, বিজয়, শিমুল, আমিনুল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, “নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়।”

তিনি ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করা, সহিংসতা ছড়ানো এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিরুদ্ধে আলেম ওলামাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “মসজিদ আল্লাহর ঘর। সেখানে আমরা নামাজ হবে, দীনের কথা হবে, কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক মিটিং কেন?”

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় দেবীগঞ্জ বিজয় চত্বরে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল দেবীগঞ্জ উপজেলার শাখার উদ্যোগে আলেম-ওলামাদের নিয়ে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আলেম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং কুসংস্কার ও উগ্রবাদ রোধে আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মাওলানা আজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা শাহাদাত হোসেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মোঃ তবারক হ্যাপিসহ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক আলেম-ওলামা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার প্রসার, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সামাজিক অপরাধ দমনে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।