খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২

বেড়েছে মুরগির দাম, সিন্ডিকেটের দখলে বাজার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫, ১২:২৭ অপরাহ্ণ
বেড়েছে মুরগির দাম, সিন্ডিকেটের দখলে বাজার

গ্রীষ্মকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় প্রায় প্রতি সপ্তাহেই বাড়ছে বিভিন্ন সবজির দাম। এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে মুরগির বাজারের ঊর্ধ্বগতি। যা ভোক্তাদের অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছে।

শুক্রবার (২ মে) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

উত্তরার আজমপুর, খিলক্ষেত, গুলশান, বাড্ডা, মিরপুর, রামপুরা, মালিবাগ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই এখন ৬০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ৭০ টাকার নিচে পছন্দের কোনো সবজি মিলছে না। হাতে গোনা কয়েকটি সবজি এর ব্যতিক্রম।

এসব বাজারে গ্রীষ্মকালীন সব ধরনের সবজি গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনার গ্রীষ্মের সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বাড়তি রয়েছে।

দামের ঊর্ধ্বগতির বিষয়ে ক্রেতারা বলছেন, ব্যবসায়ীরা গরমের সুযোগ নিয়ে সিন্ডিকেট করে সবজির দাম বাড়াচ্ছেন। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের পকেটে।

রেজাউল করিম নামের এক ক্রেতা বলেন, সবকিছুর দাম বাড়তি। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের শুধু চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া আর কিছুই করার নেই। বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানাই।

বাজারগুলোতে বেগুন প্রকারভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, পটল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ধুন্দল ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কচুর লতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও কচুরমুখী ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে সাজনা ১২০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, কাঁচা আম ৪০ টাকা ও কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে শীতকালীন সবজি সিম ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, ফুলকপি ছোট ৫০ টাকা পিস, প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা, গাজর ৫০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা ও শসা ৬০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে লেবুর হালি ১০ থেকে ২০ টাকা, ধনেপাতা ১৮০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা পিস ও মিষ্টি কুমড়া ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে শাকের দামও বেশি দেখা গেছে। লাল শাক ২০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, কলমি শাক ২০ টাকা, পুঁই শাক ৩০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এ ব্যাপারে তালতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা হানিফ বলেন, সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়তি রয়েছে। ৬০ টাকার নিচে সবজির কেজি নেই বললেই চলে। প্রতিবছর এই সময় পেঁপে সস্তা থাকে, এ বছর ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

খিলক্ষেত নামা পাড়া এলাকার সবজি বিক্রেতা আনিস বলেন, এই সময়ে সব ধরনের সবজির দামই একটু বেড়ে যায়। ভালো পছন্দের সবজি নিতে হলে ৭০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারগুলোতে মুরগির দাম কেজিতে ১০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে। এসব বাজারে সোনালি কক মুরগি কেজিতে ৪০ টাকা বেড়ে ৩০০ এবং সোনালি হাইব্রিড ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৭০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৪০ টাকা কমে ১৯০ টাকা ও দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে আলু ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে দেশি পেঁয়াজ ৬০ টাকা ও ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আদা ১২০ থেকে ২৮০ টাকা, রসুন দেশি ১০০ টাকা, ইন্ডিয়ান ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা ও খেসারির ডাল ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮২ থেকে ৯২ টাকা, নাজিরশাইল চাল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা ও ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে।

অন্যদিকে সপ্তাহ ব্যবধানে মাছের বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। এসব বাজারে প্রতি কেজি শিং চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, রুই দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, চাষের পাঙাস ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৭৫০ থেকে ১২০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, চাষের কৈ ২২০ থেকে ২৩০ টাকা, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি ১৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকা, পাঁচ মিশালি ২২০ টাকা, রুপচাঁদা ১২০০ টাকা, বড় বাইম ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা, দেশি কৈ ১২০০ টাকা, শোল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, আইড় ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বেলে ৮০০ টাকা, কোরাল ৭০০ টাকা ও কাজলি মাছ ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ১৯৯১ সালে আর্ত মানবতার সেবা ও কল্যানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত বৃহত্তর ফরিদপুরের স্বেচ্ছায় রক্তদান প্রতিষ্ঠান সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ঐতিহাসিক অম্বিকা হলে আলোচনা সভা, সর্বোচ্চ রক্তদাতা ও সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান, বির্তক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন, স্মরনিকার মোড়ক উন্মোচন, র্যা ফেল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ও ৩৪ পাউন্ডের কেক কেটে বর্ষপূর্তির উৎসব পালন করা হয়।

সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের সভাপতি ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা: মাহমুদুল হাসান, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও দৈনিক ফতেহাবাদ সম্পাদক প্রফেসর এবিএম সাত্তার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম এ সামাদ, অধ্যাপক রেজভী জামান, অধ্যাপক খালেদুজ্জামান মিঠু, ডাক্তার আলী আকবর বিশ্বাস, ডাক্তার মিজানুর রহমান মিজান, ডাক্তার আব্দুল হিস সায়াদ, ডা:এসি পাল, মো: এজাজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান শাকিল সহফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ রক্তদাতা জগ জীবন সাহা ও বিভাষ দত্ত কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা সন্ধানী ডোনার ক্লাবের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী সূচনা লগ্ন থেকেই আত্ম মানবতার সেবায় কাজ করে আসছে। তারা এই সংগঠনের বিগত ৩৪ বছরের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী ডোনার ক্লাব অসংখ্য রোগীর জীবন বাঁচিয়েছে। তারা সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে। তাদের কর্মকান্ড সর্ব মহলের প্রশংসিত রয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে সন্ধানী আরো ভালো করবে ।

অনুষ্টানে নতুন প্রজন্ম কে সন্ধানীর সাথে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এর আগে সকালে সন্ধানী ডোনার ক্লাব চত্বরে বেলুন ও ফেষ্টুন উড়িয়ে ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীর উদ্বোধন করা হয় ।পরে এক বর্ণাঢ্য অনন্দ র্যা লী শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে।

বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

এস এম দৌলত,বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল (রেজিঃ নং রাজ—১২৪৫) এর ১৮ নং ওয়ার্ড কমিটির উদ্যোগে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেলে শহরের শিববাটী এলাকায় এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন প্রাং—এর সভাপতিত্বে এবং রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিএম বকুল এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ।

প্রধান বক্তা জেলা বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সৈয়দ জহুরুল আলম, বিশেষ বক্তা বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ—সভাপতি মোঃ সোহরাব হোসেন লাইজু। বিশেষ অতিথি বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক  এস আলম. বগুড়া জেলা লেদ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা লিটন শেখ বাঘা, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ডালু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ—সভাপতি মোঃ রাজু পাইকর, সহ—সভাপতি জহুরুল ইসলাম ফুয়াদ, সহ—সভাপতি বাদল সরকার, সহ—সাধারণ সম্পাদক কাজী খোরশেদ, সহ—সাংঠগঠনিক আতোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির বাবু, বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানী বগুড়া শহর শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান সাব্বির সোহাগ, মাফরুজ্জামান ওমেক্স, শহিদুল ইসলাম শহীদ, মহিলা দলের নেত্রী সুবর্ণা আক্তার মুক্তি, কামরুল নাহার, ১৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রোকন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সরকার, ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক, মনির, ফাহিম মোনতাসির। রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— আব্দুর রাজ্জাক. হযরত আলী, রুস্তম আলী, জনাব আলী, আল আমিন, জাইদুল ইসলাম, রাশেদ, সুরুজ, আমিনুল ইসলাম, নুর ইসলাম, হৃদয়, বকুল, সোবহান, মানিক, কফিল, বিজয়, শিমুল, আমিনুল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, “নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়।”

তিনি ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করা, সহিংসতা ছড়ানো এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিরুদ্ধে আলেম ওলামাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “মসজিদ আল্লাহর ঘর। সেখানে আমরা নামাজ হবে, দীনের কথা হবে, কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক মিটিং কেন?”

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় দেবীগঞ্জ বিজয় চত্বরে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল দেবীগঞ্জ উপজেলার শাখার উদ্যোগে আলেম-ওলামাদের নিয়ে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আলেম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং কুসংস্কার ও উগ্রবাদ রোধে আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মাওলানা আজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা শাহাদাত হোসেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মোঃ তবারক হ্যাপিসহ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক আলেম-ওলামা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার প্রসার, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সামাজিক অপরাধ দমনে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।