খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২

শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের ১২ বছর; আজও বিচার পায়নি ভুক্তভোগীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ মে, ২০২৫, ১২:১১ অপরাহ্ণ
শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের ১২ বছর; আজও বিচার পায়নি ভুক্তভোগীরা

শাপলা চত্বরে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ওপর হত্যাকাণ্ড চালানোর ১২ বছর পার হলেও বিচার পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। যৌথবাহিনীর সমন্বয়ে এই হামলার নাম দেয়া হয় অপারেশন ফ্লাশ আউট। পরে বিচার চাইলে হামলার শিকার হতে হয় বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক কর্মী থেকে শুরু করে মানবাধিকার কর্মীদের। গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার পতনে শাপলা হত্যাকাণ্ড বিচারের দাবি আরো জোরালো হয়েছে।

১২ বছর আগে রাজধানীর শাপলা চত্বরে মহানবী হজরত মোহাম্মদ ও পবিত্র কোরআনের অবমাননার প্রতিবাদসহ ১৩ দফা দাবিতে জড়ো হয়েছিলেন আলেম-ওলামাসহ বিভিন্ন কওমি মাদরাসার লক্ষাধিক শিক্ষার্থী। ২০১৩ সালের ৫ মে দিনভর উত্তেজনা ছিল হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিকে ঘিরে।

দিনব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর মধ্যরাতে সমাবেশে ঘুমন্ত মুসল্লিদের ওপর বর্বর হামলা চালাতে দেখা যায় র‌্যাব, বিজিবি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীকে। সেসময় অভিযোগ ওঠে সেদিনের ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনাকে ধামা চাপা দেয়ার জন্য ৬ মে ভোর রাতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার দেশের দুটি গণমাধ্যম দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টিভির সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়।

সরকার উৎখাতের আন্দোলন হচ্ছে বলে শাপলা চত্বর থেকে সমাবেশ উচ্ছেদের ঘোষণা দেয় আওয়ামী লীগ সরকার। বিক্ষোভ দমনে শুরু হয় রাতভর অভিযান। পুলিশের পক্ষ থেকে ওই অভিযানের নাম দেয়া হয়েছিল অপারেশন সিকিউরড শাপলা, অন্যদিকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ একই অপারেশনের নাম দেয় অপারেশন ক্যাপচার শাপলা।

সেসময়ে যৌথবাহিনীর সমন্বয়ে অপারেশন ফ্লাশ আউটে ঠিক কতজন নিহত হয় তার সঠিক পরিসংখ্যান না পাওয়া গেলেও মানবাধিকার সংগঠন অধিকার ৬১ জন নিহত হওয়ার তথ্য প্রকাশ করে।

এরপর থেকেই ভয়াবহ সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে আসছিলেন ভুক্তভোগীরা। বিভিন্ন সময়ে হেফাজতে ইসলাম কিংবা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইলেও বিনিময়ে মামলা-হামলরা শিকার হতে হয় বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক কর্মী থেকে শুরু করে মানবাধিকার কর্মীদের।

তবে গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর শাপলা বিচারের দাবি আরো জোরালো হয়। সম্প্রতি রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ থেকেও বিচারের দাবি জানানো হয়।

হেফাজত নেতারা বলছেন, ২০১৩ সালের শাপলা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা যায়নি বলেই পরবর্তীতে গুম, খুনের মতো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার কিংবা সবশেষ জুলাই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে।

বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ১৯৯১ সালে আর্ত মানবতার সেবা ও কল্যানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত বৃহত্তর ফরিদপুরের স্বেচ্ছায় রক্তদান প্রতিষ্ঠান সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ঐতিহাসিক অম্বিকা হলে আলোচনা সভা, সর্বোচ্চ রক্তদাতা ও সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান, বির্তক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন, স্মরনিকার মোড়ক উন্মোচন, র্যা ফেল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ও ৩৪ পাউন্ডের কেক কেটে বর্ষপূর্তির উৎসব পালন করা হয়।

সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের সভাপতি ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা: মাহমুদুল হাসান, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও দৈনিক ফতেহাবাদ সম্পাদক প্রফেসর এবিএম সাত্তার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম এ সামাদ, অধ্যাপক রেজভী জামান, অধ্যাপক খালেদুজ্জামান মিঠু, ডাক্তার আলী আকবর বিশ্বাস, ডাক্তার মিজানুর রহমান মিজান, ডাক্তার আব্দুল হিস সায়াদ, ডা:এসি পাল, মো: এজাজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান শাকিল সহফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ রক্তদাতা জগ জীবন সাহা ও বিভাষ দত্ত কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা সন্ধানী ডোনার ক্লাবের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী সূচনা লগ্ন থেকেই আত্ম মানবতার সেবায় কাজ করে আসছে। তারা এই সংগঠনের বিগত ৩৪ বছরের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী ডোনার ক্লাব অসংখ্য রোগীর জীবন বাঁচিয়েছে। তারা সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে। তাদের কর্মকান্ড সর্ব মহলের প্রশংসিত রয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে সন্ধানী আরো ভালো করবে ।

অনুষ্টানে নতুন প্রজন্ম কে সন্ধানীর সাথে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এর আগে সকালে সন্ধানী ডোনার ক্লাব চত্বরে বেলুন ও ফেষ্টুন উড়িয়ে ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীর উদ্বোধন করা হয় ।পরে এক বর্ণাঢ্য অনন্দ র্যা লী শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে।

বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

এস এম দৌলত,বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল (রেজিঃ নং রাজ—১২৪৫) এর ১৮ নং ওয়ার্ড কমিটির উদ্যোগে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেলে শহরের শিববাটী এলাকায় এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন প্রাং—এর সভাপতিত্বে এবং রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিএম বকুল এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ।

প্রধান বক্তা জেলা বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সৈয়দ জহুরুল আলম, বিশেষ বক্তা বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ—সভাপতি মোঃ সোহরাব হোসেন লাইজু। বিশেষ অতিথি বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক  এস আলম. বগুড়া জেলা লেদ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা লিটন শেখ বাঘা, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ডালু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ—সভাপতি মোঃ রাজু পাইকর, সহ—সভাপতি জহুরুল ইসলাম ফুয়াদ, সহ—সভাপতি বাদল সরকার, সহ—সাধারণ সম্পাদক কাজী খোরশেদ, সহ—সাংঠগঠনিক আতোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির বাবু, বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানী বগুড়া শহর শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান সাব্বির সোহাগ, মাফরুজ্জামান ওমেক্স, শহিদুল ইসলাম শহীদ, মহিলা দলের নেত্রী সুবর্ণা আক্তার মুক্তি, কামরুল নাহার, ১৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রোকন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সরকার, ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক, মনির, ফাহিম মোনতাসির। রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— আব্দুর রাজ্জাক. হযরত আলী, রুস্তম আলী, জনাব আলী, আল আমিন, জাইদুল ইসলাম, রাশেদ, সুরুজ, আমিনুল ইসলাম, নুর ইসলাম, হৃদয়, বকুল, সোবহান, মানিক, কফিল, বিজয়, শিমুল, আমিনুল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, “নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়।”

তিনি ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করা, সহিংসতা ছড়ানো এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিরুদ্ধে আলেম ওলামাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “মসজিদ আল্লাহর ঘর। সেখানে আমরা নামাজ হবে, দীনের কথা হবে, কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক মিটিং কেন?”

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় দেবীগঞ্জ বিজয় চত্বরে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল দেবীগঞ্জ উপজেলার শাখার উদ্যোগে আলেম-ওলামাদের নিয়ে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আলেম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং কুসংস্কার ও উগ্রবাদ রোধে আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মাওলানা আজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা শাহাদাত হোসেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মোঃ তবারক হ্যাপিসহ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক আলেম-ওলামা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার প্রসার, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সামাজিক অপরাধ দমনে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।