খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১ মাঘ, ১৪৩২

তুরিন আফরোজের ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ মে, ২০২৫, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ
তুরিন আফরোজের ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া

আলোচিত আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজের ডক্টরেট ডিগ্রি ভুয়া। এমনই বিস্ফোরক তথ্য জানাল সিডনির ইউনিভার্সিটি অব নিউ সাউথ ওয়েলস। এ বিষয়ে লিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। রাষ্ট্রপক্ষ সেই চিঠি সংযুক্ত করে আপিল বিভাগে উপস্থাপন করেছে।

রোববার আপিল বিভাগে বাড়ি সংক্রান্ত মামলায় এ তথ্য দাখিল করা হয়েছে। আইনজীবী ব্যারিস্টার সাজ্জাদ হায়দার বিষয়টি জানিয়েছেন।

গত ১৩ মার্চ আপিল বিভাগে বাড়ি সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক বলেছেন, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর থাকা অবস্থায় ক্ষমতার সব রকম অপব্যবহার করেছেন। তখন সে ছিল পরাক্রমশালী। এক মুহূর্তের মধ্যে তার মাকে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। উত্তরার বাড়িতে সেই মায়ের থাকার নির্দেশনা প্রার্থনা করছি।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে তিনি এসব কথা বলেন।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর উত্তরায় পাঁচতলা বাড়িতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজের মা শামসুন্নাহার বেগম এবং তুরিন আফরোজের ভাই শিশির আহমেদ শাহনেওয়াজ আহমেদের বসবাস করা নিয়ে বিচারিক আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ বাতিল করে দেন হাইকোর্ট। এর ফলে ওই বাড়িতে শামসুন্নাহার বেগম ও শাহনেওয়াজের বসবাসের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি মো. সেলিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, আইনজীবী বিএম ইলিয়াস কচি, ব্যারিস্টার মনজুর রাব্বী, ব্যারিস্টার আতিকুল হক। তুরিন আফরোজের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ সাইফুল করিম।

সেদিন ব্যারিস্টার আতিকুল হক বলেন, রাজধানীর উত্তরায় পাঁচতলা বাড়িতে বসবাসকে কেন্দ্র করে বিচারিক আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশ বাতিল করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে ওই বাড়িতে তুরিন আফরোজের মা শামসুন্নাহার বেগম ও শাহনেওয়াজের বসবাসের ক্ষেত্রে আর কোনও আইনগত বাধা নেই।

তিনি বলেন, রাজধানীর উত্তরার রেসিডেনন্সিয়াল মডেল টাউনের ১১ নম্বর সড়কের ৩ নম্বর সেক্টরের ১৫ নম্বর প্লটের পাঁচতলা বাড়িতে ২০০২ সাল থেকে বসবাস করে আসছিলেন শামসুন্নাহার বেগম এবং তার ছেলে শিশির আহমেদ শাহনেওয়াজ। তবে নিজের ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে শামসুন্নাহার বেগম ও শাহনেওয়াজকে ওই বাড়ি থেকে ২০১৭ সালে বের করে দেন তুরিন আফরোজ। পরে ওই বাড়ির ভোগ দখল ও মালিকানা দাবি করে শাহনেওয়াজ ও তুরিন আফরোজ ঢাকার যুগ্ম জেলা জজ আদালতে দুটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করে। ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর দুই পক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে ওই বাড়ি ভোগদখলের ক্ষেত্রে স্থিতাবস্থা জারি করে ঢাকার পঞ্চম যুগ্ম জেলা জজ আদালত। এরপর যুগ্ম জেলা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজ আদালতে আবেদন করে শাহনেওয়াজ। পরে ২০২৩ সালের ১৯ জানুয়ারি যুগ্ম জেলা জজ আদালতের আদেশ বহাল রাখেন জেলা জজ আদালত। এরপর ২০২৩ সালের মার্চে জেলা জেজ আদালতের স্থিতাবস্থার আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন দায়ের করে শাহনেওয়াজ।

২০২৩ সালের ২ এপ্রিল বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ উত্তরায় ওই বাড়ি ভোগদখলের ক্ষেত্রে স্থিতাবস্থার আদেশ কেন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হবে, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। পরবর্তী সময়ে আদালত পরিবর্তিত হয়ে মামলাটি বিচারপতি মো. সেলিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে আসে। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে ১৯ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মো. সেলিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ রুল যথাযথ (অ্যাবসুলেট) ঘোষণা করে স্থিতাবস্থা বাতিল করে রায় দেন। এর ফলে ওই বাড়িতে শাহনেওয়াজ ও তার মা শামসুন্নাহার বেগমের বসবাসের ক্ষেত্রে আইনগত কোনো বাধা নেই।

এখন বাড়ির ভোগ দখল ও মালিকানা দাবি করে দায়ের করা দুটি মামলায় বিচারিক আদালতে স্বাভাবিক নিয়মে চলবে বলে জানান আইনজীবী আতিকুল হক।

উল্লেখ্য, বিচারিক আদালতের মামলার আরজিতে তুরিন আফরোজ দাবি করেছেন, তুরিনের মা শামসুন্নাহার ১৯৯১ সালে ক্রয়সূত্রে উত্তরার সম্পত্তির মালিক হন। পরের বছর ১৯৯২ সালে শামসুন্নাহার তার স্বামী তসলিম উদ্দিনকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি নিযুক্ত করেন। পরে ১৯৯৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তসলিম উদ্দিন মেয়ে তুরিন আফরোজকে হেবা (দানপত্র) করেন। তবে শামসুন্নাহার ও তার ছেলে শাহনেওয়াজ আদালতে লিখিত জবাব দিয়ে বলেছেন, তসলিম উদ্দিন কখনো তার মেয়ে তুরিন আফরোজকে উত্তরার সম্পত্তি দান করেননি। বরং শামসুন্নাহার তার ছেলে শাহনেওয়াজকে উত্তরার সম্পত্তি ১৯৯৭ সালে হেবা করে দেন। পরে ওই জমি শাহনেওয়াজের নামে নামজারি করে ১৯৯৯ সালে হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনের কাছ থেকে ২৫ লাখ ঋণ নেওয়া হয় এবং রাজউকের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণ করা বাড়িতে তারা ২০০২ সাল থেকে বসবাস করে আসছিলেন।

বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪২ অপরাহ্ণ
বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে ফরিদপুরে সন্ধানী ডোনার ক্লাবের ৩৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

ফরিদপুর প্রতিনিধি : ১৯৯১ সালে আর্ত মানবতার সেবা ও কল্যানের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত বৃহত্তর ফরিদপুরের স্বেচ্ছায় রক্তদান প্রতিষ্ঠান সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী বর্ণাঢ্য নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার রাতে ঐতিহাসিক অম্বিকা হলে আলোচনা সভা, সর্বোচ্চ রক্তদাতা ও সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান, বির্তক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরন, স্মরনিকার মোড়ক উন্মোচন, র্যা ফেল ড্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ও ৩৪ পাউন্ডের কেক কেটে বর্ষপূর্তির উৎসব পালন করা হয়।

সন্ধানী ডোনার ক্লাব ফরিদপুরের সভাপতি ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান শামীমের সভাপতিত্বে অনুষ্টানে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা: মাহমুদুল হাসান, যশোর শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও দৈনিক ফতেহাবাদ সম্পাদক প্রফেসর এবিএম সাত্তার, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক এম এ সামাদ, অধ্যাপক রেজভী জামান, অধ্যাপক খালেদুজ্জামান মিঠু, ডাক্তার আলী আকবর বিশ্বাস, ডাক্তার মিজানুর রহমান মিজান, ডাক্তার আব্দুল হিস সায়াদ, ডা:এসি পাল, মো: এজাজুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান শাকিল সহফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন ।

অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ রক্তদাতা জগ জীবন সাহা ও বিভাষ দত্ত কে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। আলোচনা সভায় বক্তারা সন্ধানী ডোনার ক্লাবের বিভিন্ন কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী সূচনা লগ্ন থেকেই আত্ম মানবতার সেবায় কাজ করে আসছে। তারা এই সংগঠনের বিগত ৩৪ বছরের সফলতার কথা তুলে ধরে বলেন, সন্ধানী ডোনার ক্লাব অসংখ্য রোগীর জীবন বাঁচিয়েছে। তারা সব সময় মানুষের পাশে থেকেছে। তাদের কর্মকান্ড সর্ব মহলের প্রশংসিত রয়েছে। সবার সহযোগিতা নিয়ে সন্ধানী আরো ভালো করবে ।

অনুষ্টানে নতুন প্রজন্ম কে সন্ধানীর সাথে কাজ করার আহবান জানানো হয়। এর আগে সকালে সন্ধানী ডোনার ক্লাব চত্বরে বেলুন ও ফেষ্টুন উড়িয়ে ৩৪ তম প্রতিষ্টা বার্ষিকীর উদ্বোধন করা হয় ।পরে এক বর্ণাঢ্য অনন্দ র্যা লী শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে।

বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল ১৮নং ওয়ার্ডের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত

এস এম দৌলত,বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়া জেলা জাতীয়তাবাদী রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দল (রেজিঃ নং রাজ—১২৪৫) এর ১৮ নং ওয়ার্ড কমিটির উদ্যোগে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকেলে শহরের শিববাটী এলাকায় এ কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন প্রাং—এর সভাপতিত্বে এবং রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বিএম বকুল এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বগুড়া জেলা বিএনপি’র শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ।

প্রধান বক্তা জেলা বিএনপি’র আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সৈয়দ জহুরুল আলম, বিশেষ বক্তা বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র সহ—সভাপতি মোঃ সোহরাব হোসেন লাইজু। বিশেষ অতিথি বগুড়া জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক  এস আলম. বগুড়া জেলা লেদ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা লিটন শেখ বাঘা, ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ডালু, ১৮ নম্বর ওয়ার্ড ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুর ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ—সভাপতি মোঃ রাজু পাইকর, সহ—সভাপতি জহুরুল ইসলাম ফুয়াদ, সহ—সভাপতি বাদল সরকার, সহ—সাধারণ সম্পাদক কাজী খোরশেদ, সহ—সাংঠগঠনিক আতোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির বাবু, বিএনপি নেতা গোলাম রব্বানী বগুড়া শহর শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান সাব্বির সোহাগ, মাফরুজ্জামান ওমেক্স, শহিদুল ইসলাম শহীদ, মহিলা দলের নেত্রী সুবর্ণা আক্তার মুক্তি, কামরুল নাহার, ১৮নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রোকন হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সরকার, ছাত্রদল নেতা শফিকুল ইসলাম শফিক, মনির, ফাহিম মোনতাসির। রিক্সা—ভ্যান শ্রমিক দলের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— আব্দুর রাজ্জাক. হযরত আলী, রুস্তম আলী, জনাব আলী, আল আমিন, জাইদুল ইসলাম, রাশেদ, সুরুজ, আমিনুল ইসলাম, নুর ইসলাম, হৃদয়, বকুল, সোবহান, মানিক, কফিল, বিজয়, শিমুল, আমিনুল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়-বিএনপি নেতা আজাদ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর উদ্ধৃতি দিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, “নীল নদের পানি যেমন নীল নয় তেমনি জামায়াতে ইসলামী মানে ইসলাম নয়।”

তিনি ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করা, সহিংসতা ছড়ানো এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টির বিরুদ্ধে আলেম ওলামাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানান। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “মসজিদ আল্লাহর ঘর। সেখানে আমরা নামাজ হবে, দীনের কথা হবে, কিন্তু সেখানে রাজনৈতিক মিটিং কেন?”

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় দেবীগঞ্জ বিজয় চত্বরে জাতীয়তাবাদী ওলামা দল দেবীগঞ্জ উপজেলার শাখার উদ্যোগে আলেম-ওলামাদের নিয়ে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, দেশের উন্নয়ন ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় আলেম সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সমাজে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং কুসংস্কার ও উগ্রবাদ রোধে আলেম-ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দেবীগঞ্জ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মাওলানা আজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা শাহাদাত হোসেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন দেবীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল গনি বসুনিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন মোঃ তবারক হ্যাপিসহ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় সহস্রাধিক আলেম-ওলামা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সমাজে নৈতিক অবক্ষয় রোধে ইসলামী শিক্ষার প্রসার, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং সামাজিক অপরাধ দমনে সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।